রাজবাড়ীতে- "অটো রিক্সাওয়ালার একমাত্র মেয়ে; অনলাইন এপে প্রেম করে চী"নে"র ৪৩ বছর বয়সী তাগড়া যুবক 'ওয়াং চাংকি' নামের ভদ্রলোক-কে বিয়ে করে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছেন।

 রাজবাড়ীতে- "অটো রিক্সাওয়ালার একমাত্র মেয়ে; অনলাইন এপে প্রেম করে  চী"নে"র ৪৩ বছর বয়সী তাগড়া যুবক 'ওয়াং চাংকি' নামের ভদ্রলোক-কে বিয়ে করে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছেন।  



জানা যায় -" ভদ্রলোক 'ওয়াং চাংকি' নাকি প্রেমের টানে ছুটে এসেছে সদূর  চী"ন থেকে!" অসহায় রিক্সাওয়াল বাবা কিছুইতে রাজি ছিলেন না এই বিয়েতে। 

 

মেয়ে বলেন -"যদি আমাকে এই ছেলের সাথে বিয়ে না দেন, তাহলে ট্রে/নে"র নি/চে মা/থা দিবো।"


মেয়ের এমন আচরণে, বাবা একরকম বা"ধ্য হয়েই  মে"য়ে হারানোর ভ"য়ে, বিয়ে দেওয়ার জন্য রাজি হয়ে যান অটোরিক্সা চালাক বাবা।


আমার প্রশ্ন হলো: সদূর  চী"ন থেকে আসা  ৪৩ বছর বয়সী 'ওয়াং চাংকি' নামের এই তাগড়া যুবক যদি স্ব-দেশে গিয়ে, আর ফিরে না আসে?" তখন কি হবে এই মেয়েটির? 


অতি আবেগ কী বি/"প"জ্জনক নয়? তাছাড়া এমনটা তো ঘটছেও।


#lifestory #fblifestyle #dailylife #viral #viralpost

সরল-ভোলা প্রবাসী সাদ্দাম খেলনা পিস্তল ভেবে বললো “কর গুলি!”

 উটের রাখাল হিসেবে কাজ করতো সাদ্দাম। একদিন তার কফিলের মামাতো ভাই আসলে সাদ্দাম আপ্যায়ন করে তাদের চা–কফি খাওয়ায়।

যাওয়ার সময় কফিলের ওই আত্মীয় সাদ্দামকে ডাক দিয়ে হঠাৎ পিস্তল বের করে হাসতে হাসতে বলে—

“তোকে গুলি করি?”



সরল-ভোলা প্রবাসী সাদ্দাম খেলনা পিস্তল ভেবে বললো

“কর গুলি!”

কিন্তু সে কথা সত্যি করে, পিস্তল বুকে ঠেকিয়ে ট্রিগার টিপে দেয়।

সাথে সাথে লুটিয়ে পড়ে সাদ্দাম। দ্রুত দাম্মামের একটি হাসপাতালে নেওয়া হয়। ভাগ্য ভালো বলে প্রাণে বেঁচে গেলেও কোমর থেকে নিচের অংশ দুটো পা প্যারালাইজড হয়ে যায়।

কিছুদিন পর সামান্য সাহায্য দিয়ে তাকে দেশে পাঠিয়ে দেওয়া হয়।

অসহায় প্রবাসী সাদ্দাম সারা জীবনের জন্য পঙ্গু হয়ে গেলো 🥲

এটি থেকে শিক্ষা নিন

সৌদিদের সাথে—বা যেকোনো বিদেশি নাগরিকের সাথে—মজা করবেন সতর্কতার সাথে।

সবার রসিকতার ধরন এক নয়, আর ভুল বোঝাবুঝি কখনও কখনও জীবনের সবচেয়ে বড় ট্র্যাজেডি হয়ে দাঁড়ায়।

আল্লাহ সব প্রবাসীদের হিফাজত করুন। 🤲

#প্রবাসি #সৌদিপ্রবাসী #প্রবাসী

জামাতে ইসলামের আমীর ডক্টর শফিকুর রহমানের পরিচয়, জিবন বৃত্তান্ত!

 

৩১ অক্টোবর ১৯৫৮ সালে কুলাওয়া , মৌলভীবাজার, মোল্লা জেলায় জন্ম গ্রহন করেন বাংলার কৃতি সন্তান, বর্তমান জামাতে ইসলামের আমীর ডক্টর শফিকুর রহমান।
পিতা—অবরু মিয়া, মাতা—খাতিবুন নেসা তিন সন্তানের মাজে তৃতীয় উজ্জল নক্ষত্র এই ডক্টর শফিকুর রহমান।
তিনি কোলউরার বড়মাছল হাই স্কুল থেকে ১৯৭৪ সালে এসএসি পাশ করেন।  ও পরে সিলেটের মুরারি চাদ কলেজ থেকে ১৯৭৬ সালে HSC পাশ করেন
তারপর






১৯৮৩ সালে Sylhet MAG Osmani Medical College থেকে MBBS পাশ করেন।

🧭 রাজনৈতিক ও কর্মজীবন
তার রাজনৈতিক জিবনের শুরুটা হয় জাসত ছাত্রলীগে যোগ দেওয়ার মাধ্যমে
তিনি ১৯৭৩ সালে জাসত ছাত্রলীগে যুক্ত হন,
পরে নিজ দলীয় কার্জকলাপে বিরক্ত হয়ে এবং জামাতে ইসলাম বাংলাদেশের আদর্শে বিমোহিত হয়ে
১৯৭৭ সালে Islami Chhatra Shibir-এ যোগ দেন;

এবং  Sylhet বিভাগীয় শাখার সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন।
শেষমেশ ১৯৮৪ সালে জমায়াতে ইসলামীতে যোগ দেন।

জমায়াতে ইসলামীতে পদোন্নতি:
১৯৮৫: কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরায় সদস্য  হন পরে
১৯৮৬–৮৮: সিলেট জেলা সেক্রেটারি পদে পদোন্নতি পান
তারপর
১৯৮৯–৯১: সিলেট জেলা নিযেবে আমীর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। পরে
১৯৯১–৯৮: সিলেট জেলাআমীর  হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন
তারপর
১৯৯৮: কেন্দ্রীয় ওয়ার্কিং কমিটির সদস্য
১৯৯৮–২০০৭: সিলেট সিটি আমীর পরে
২০১০: সালে  সহ–সাধারণ সম্পাদক হন।
২০১১ সালে : কার্যক্রমকারী সাধারণ সম্পাদক (acting secretary general) হন এবং  ২০১৬ সাল পর্যন্ত সেই পদেই বহাল থাকেন

২০১৬–২০১৯: সাধারণ সম্পাদক পদোন্নতি হয়
এবং
১২ নভেম্বর ২০১৯ থেকে: আমীর (Ameer) হিসেবে স্বীকৃতী  বর্তমান সময় পর্যন্ত তিনি জমাতের আমীর হয়ে আছেন

👤 ব্যক্তিগত জীবন ও সামাজিক কার্যক্রম

৫ জানুয়ারি ১৯৮৫ সালে ডা. আমিনা বেগমের সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হব ; বর্তমানে তাদের ২ কন্যা ও ১ পুত্র সন্তান রয়েছে


মালিকানা ও প্রতিষ্ঠা:
তিনি
একটি বেসরকারি মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের চেয়ারম্যান

একাধিক স্কুল, কলেজ ও কওমি মাদ্রাসার পরিচালনা কমিটির চেয়ারমেন


বিভিন্ন এতিমখানা, মসজিদ, দানশালা ও স্বেচ্ছাসেবী ক্লাব প্রতিষ্ঠা ও পরিচালনায় সক্রিয় ভূমিকা পালন করছেন



ভ্রমণ অভিজ্ঞতা: সৌদি আরব, যুক্তরাজ্য, জার্মানি, ইতালি, স্পেন, গ্রিস, বেলজিয়াম, তুরস্ক, মালয়েশিয়া, সংযুক্ত আরব আমিরাত, ফিলিপাইন ও ব্রুনাই সফর করেছেন  ডক্টর শফিকুর রহমান।

🩺 স্বাস্থ্য পরিস্থিতি (সম্প্রতিক ঘটনা)
১৯ জুলাই ২০২৫–এ ঢাকায় এক জাতীয় কর্মসূচিতে বক্তব্য দিচ্ছেন সময় তিনি হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন; পরে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে বলে জানা গেছে

📝 সারাংশ

ডা. শফিকুর রহমান একজন প্রথিতযশা চিকিৎসক ও রাজনৈতিক নেতা, যিনি বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী দলের আমীর পদে আছেন ২০১৯ সাল থেকে। তাঁর রাজনৈতিক জীবন শুরু হয়েছিল ছাত্র রাজনীতি দিয়ে, পরবর্তীতে বিভিন্ন স্তরে দায়িত্ব পালন করে তিনি সংগঠনের কেন্দ্রীয় নেতৃত্বে উঠে আসেন। একজন সমাজকর্মী হিসেবেও তিনি শিক্ষা ও স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠানের সাথে যুক্ত, সমাজসেবা ও দাতা প্রতিষ্ঠান নির্মাণে ব্যাপকভাবে অবদান রেখেছেন।


🎯 Tags (ট্যাগ):

Dr Shafiqur Rahman, Jamaat e Islami Bangladesh, Jamaat Ameer, Islamic Political Leader Bangladesh, Sylhet Politics, Jamaat Islami Leader, Islami Chhatra Shibir, Shafiqur Rahman Biography, Jamaat Political Journey, Jamaat History, Jamaat e Islami Biography, Islamic Movement BD, Jamaat Party Leadership, Jamaat Islami News, Bangladesh Islamic Politics, Jamaat Secretary General, Sylhet Muslim Leader, MBBS Doctor Bangladesh, Islamic Leader Profile, Political Biography Bangladesh

🔖 Hashtags (হ্যাশট্যাগ):

#DrShafiqurRahman, #JamaateIslami, #JamaatAmeer, #IslamicLeader, #BangladeshPolitics, #ShafiqurRahmanBiography, #IslamiChhatraShibir, #SylhetLeader, #IslamicPolitics, #MuslimLeaderBD, #JamaatBD, #MBBSDoctor, #JamaatHistory, #PoliticalCareer, #IslamicMovement, #IslamicScholarBD, #BanglaBiography, #SylhetPolitics, #JamaatLeadership, #BangladeshIslamicPolitics

👑 রাজার আপেল পরীক্ষা 🍎 চরম হাসির গল্প, বাংলা হাসির গল্প, বল্টুর গল্প

 👑 রাজার আপেল পরীক্ষা 🍎




একদিন এক রাজা ভাবলেন,

"এই রাজ্যটা আমিই চালাই, কিন্তু আমার প্রজারা নিজের ঘর চালায় তো কে? স্বামী? না স্ত্রী?"


দারুণ একটা বুদ্ধি এলো তাঁর মাথায়।


তিনি চারদিকে ঘোষণা পাঠালেন:


> "যার ঘরে স্ত্রী-র কথা চলে, সে রাজপ্রাসাদে এসে একটি করে আপেল নিয়ে যাবে।

আর যার ঘরে স্বামীর কথা চলে, সে পাবে একটা ঘোড়া!"


পরদিন সকাল থেকে প্রাসাদের বাইরে মানুষের ঢল।

পুরো রাজ্য থেকে দলে দলে লোক আসছে... আর সবাই আপেল নিয়েই বাড়ি ফিরছে।


রাজা অবাক!

"এত বড় রাজ্য! অন্তত একজন তো হবে যার ঘরে স্বামীর কথা চলে?"


সন্ধ্যা গড়িয়ে রাত।

ঠিক তখনই এল এক লম্বা-চওড়া, গাট্টাগোট্টা লোক। মুখে বিশাল গোঁফ, চোখে আত্মবিশ্বাস।


সে বলল,

"রাজামশাই, আমার ঘরে আমারই কথা চলে!"


রাজা আনন্দে উৎফুল্ল!

"যাক! অবশেষে একজন সত্যিকারের 'স্বামী' পাওয়া গেল।"


তিনি খুশি হয়ে বললেন:


> "যাও, ঘোড়াশাল থেকে সেরা কালো ঘোড়াটা নিয়ে যাও।"


লোকটা গর্বে বুক ফুলিয়ে ঘোড়া নিয়ে চলে গেল।


কিন্তু কিছুক্ষণ পর...


সে আবার ফিরে এলো। মুখটা একটু গম্ভীর।


বলল,

"রাজামশাই, একটা অনুরোধ... কালোটা না দিয়ে সাদা ঘোড়া দিন।"


রাজা: "কেন?" 😠


লোক:

"আমার বউ বললো... কালো রং অশুভ!

সাদা শান্তির প্রতীক। তাই সাদা ঘোড়াটাই চাই।"


রাজা এবার মাথায় হাত দিয়ে চুপচাপ দাঁড়িয়ে রইলেন।


তারপর ধীরে ধীরে বললেন,


> "তুই ঘোড়া রেখে, একটা আপেল নিয়ে বাড়ি যা।"


---


🌙 রাতের দৃশ্য


রাত গভীর। রাজা ভাবছেন দিনের ঘটনার কথা, মুখে হালকা বিরক্তির ছায়া।


ঠিক তখনই প্রাসাদের দরজায় টোকা।

প্রধান মন্ত্রী এলেন।


মন্ত্রী বললেন:


"রাজামশাই, আপনাকে একটা পরামর্শ দিতে এলাম..."


রাজা:

"এত রাতে! কী পরামর্শ?"


মন্ত্রী বললেন:


> "আপেল দিয়ে লাভ কী?

তার চেয়ে যদি ৫ কেজি করে চাল দেওয়া হতো, তাহলে প্রজাদের ঘর চলত ভালোভাবে!"


রাজা একটু হেসে বললেন:


"তাই তো! আমিও এটা ভেবেছিলাম।

কিন্তু বড় রানী বললেন, আপেলই ভালো হবে!"


মন্ত্রী হেসে জিজ্ঞাসা করলেন,


"তবে কি আপনাকেও একটা আপেল কেটে দিই?"


রাজা এবার লজ্জায় পড়ে গেলেন। বললেন,


"সে কথা থাক... বরং বলো, তুমি এখন এসেছো কেন, কাল সকালে এলেই তো পারতে!"


মন্ত্রী মাথা নিচু করে বলল:


> "আমিও বলেছিলাম তাই।

কিন্তু আমার বউ বলল —

'এখনই যাও, রাজাকে বলো। কাল আবার ভুলে যাবে।'"


রাজা এবার হাঁফ ছেড়ে হেসে উঠলেন।


তারপর বললেন,


> **"বাহ্! এবার তো নিশ্চিত হলাম —

এই রাজ্যে একমাত্র রাজাই নয়, বউরাই রাজা!" 😄


শেষে রাজা জিজ্ঞেস করলেন:


"তুমি আপেলটা এখানেই নেবে,

না কি বউয়ের জন্য ঘরে পাঠিয়ে দেবো?"


---


📜 গল্পের উপসংহার:


এই রাজ্যে নয়,

প্রায় সব রাজ্যেই ঘরে সত্যিকারের রাজা হলেন রাণী! 😄

আর বুদ্ধিমানেরাই সেটা বুঝে… চুপচাপ আপেল নিয়ে বাড়ি ফিরে যান!

একদিন কলা,নারকেল ও তাল একসাথে বসে গল্প করছিলো🙄 চরম হাসির গল্প, বাংলা ফানি গল্প, বল্টুর গল্প

 একদিন কলা,নারকেল ও তাল একসাথে বসে গল্প করছিলো🙄


তাদের মাঝে তাল বললো,আজ সবাই আমাদের দুঃখের কথা শুনবো💔💔 


সবাই বললো ঠিক আছে,, তা তাল আগে তোর দুঃখের কথা বল,,🙃 দেখি তোর কত দুঃখ আছে😪😪


আচ্ছা বলছি, মনোযোগ দিয়ে শুন সবাই


তালঃ মানুষের মনে একটুও মায়া দয়া নাইরে,,মানুষ আমারে এমন ভাবে চিপে চিপে খাই তবুও তাদের মন ভরে না🙄🙄

ভাবছি হয়তো আমায় চিপে খাওয়ার পরে ফেলে দিবে,,না তবুও আমায় কুড়িয়ে কুড়াল দিয়ে কুবিয়ে খেলো,  এটা শুনে নারকেল বললো 


নারকেলঃ আর বলিস না🤔 আমায় যে এতদুর  থেকে ফেলে দেই🙂আমি গাছ থেকে পড়তেই কোমরের হাড্ডি ভেঙে য়ায়🤒 এর পরে কান ধরে তুলে নিয়ে, আমার আছাড় দিয়ে মাথা ফাটিয়ে খাই😏😏


তো এবার  কলার পালা 


কলাঃ আমার মান সম্মান বলতে কিছু নাই🤣🤪🤪 

আমায় যখন খাওয়া শুরু করে,,আমার কাপড় খুইলা খাই🤣🤣 


🤣🤣🤣

গালফ্রেন্ড হারিয়ে বেচারা 😃 চরম হাসির গল্প

 "স্যার, আমার গার্লফ্রেন্ডকে খুঁজে পাচ্ছি না।  

— কতক্ষণ ধরে খুঁজে পাচ্ছেন না?  

— প্রায় তিনঘন্টা তিরিশ মিনিটের মতো হবে।  




— এটা তো খুব অল্প সময়। চব্বিশ ঘন্টার আগে তো আমরা আপনার অভিযোগ নিতে পারবো না।


— স্যার, সন্ধ্যা হয়ে গেছে। মেয়েটা কোথায় কী করছে কে জানে!  

— এখনকার ছেলেমেয়েরা তো সন্ধ্যায় ঘুরতেই বের হয়। চিন্তা করবেন না।


— না স্যার, আমার গার্লফ্রেন্ড সন্ধ্যায় কখনো বের হয় না।  

সে শুধু দিনের বেলা আমার সাথে ঘুরে।  

কারণ... তার বাবা টাকলা আর বদমাইশ টাইপের লোক।  

রাতে বাসায় ফিরেই যদি মেয়েকে না দেখে, উনি তান্ডব শুরু করে দেয়!  

তাই আমি সবসময় দিনের বেলাতেই ঘুরি।


— ওহ, তাহলে আপনার তো অনেক বুদ্ধি।  

— আমার গার্লফ্রেন্ডও তাই বলে স্যার...


🙊 এরপর কী হলো জানলে চমকে যাবেন!  

👇  

💥 পুরো গল্পটি পড়তে ভিজিট করুন আমাদের সাইট:  

📌 লিংক কমেন্ট বক্সে দেয়া আছে!

অফিসিয়াল ট্যুরে গিয়ে ডি"ভো"র্সি একজন নারীর

 অফিসিয়াল ট্যুরে গিয়ে ডি"ভো"র্সি একজন নারীর সাথে খুব সখ্যতা গড়ে উঠে। পরে ফিরে আসি উনি কয়েকদিন ফোনে যোগাযোগ নিজ থেকেই করেছেন। 



পরে আমিও সাড়া দেই। বেশ গ"ভী"র কথা হয়। উনার অফিসে গিয়েছিলাম। উনি ব্যাংকে জব করতেন। সেখানে গিয়ে দেখি মাথায় হি"জা"ব বাট টা"ই"ট ফতুয়া আর প্লাজু পরে অফিসে। সেইরকম গাড় মেকাপ। আমার খা"রা"প লাগছিলো কেনো জানিনা। সবাই উনাকে দেখে আর বিভিন্ন অজুহাতে আসে। উনি সবার সাথে ন্যাকামি করেন। 


আমি উনার এসব আচরণে খুব ম"র্মা"হ"ত।  উনি বুঝতে পেরেছেন আমি কেনো মুড অফ করছি। পরে উনি প্রমিজ করলেন শালীন ভাবে চলবেন। আমাকে উনি যথেষ্ট লাইক করেন এটাও বলছেন। আমি পরে কয়েকবার নরমাল ডে"ট করি।


তো প্ল্যান করলাম কক্সবাজার যাবো দুজনে। হোটেল বুকিং না দিয়াই গেছি।

সেখানে কয়েকটা হোটেলে রুম খুজলাম। মন মতো সুইট্য না পেয়ে কয়েকটাতে গেলাম। মজার ব্যাপার প্রতিটা হোটেলে উনাকে চিনে। আমি অনেক কনফিউজড।  পরে আমি চলে আসছি। কিছু না বলে। উনি আমাকে কয়েকদিন মেসেজ দিছে। এখন হু"ম"কি দিচ্ছে "আমি যদি ওনার কথা মত না চলি তাহলে নাকি ভাইরাল করে দিবে!" 


একটা মেয়ের ২ টা বা ৩টা অতীত মেনে নেওয়া যায় বাট উনার পরিচিত সকল মানুষের কাছে যা শুনেছি। অতীতের অভাব নেই। উনি এই পেইজে আছেন তাও সব পোস্টে সাজেশন দিচ্ছেন। হয়তো এইটা উনি দেখবেন। আমি পরিচয় দিবনা। বাট আপনারা সঠিক একটা কথা বলুন। আমাকে কি উনার হু"ম"কি ধা"ম"কি দেওয়া উচিত হচ্চে? আমি কি এমন অ"প"রাধ করেছি? 


>নাম প্রকাশ করতে চাইনা।

এক অন্ধ ব্যক্তি রেস্টুরেন্টে খেতে ঢুকেছেন।

 এক অন্ধ ব্যক্তি রেস্টুরেন্টে খেতে ঢুকেছেন।


ওয়েটার দৌড়ে এসে জিজ্ঞেস করলেন : মেনু বলবো স্যার? 🙂



তিনি বললেন : আপনি রান্না করার খুন্তি নিয়ে আসুন, আমি গন্ধ শুঁকে খাবারের অর্ডার দেবো। 🥱


ওয়েটার রেস্টুরেন্টটির ম্যানেজারকে বিষয়টি জানালেন। ম্যান্ডেলার রান্নাঘর থেকে একটা খুন্তি এনে দিলেন। 🙄


অন্ধ ভদ্রলোক সেটা শুঁকে নিয়ে বললেন : আমাকে গার্লিক ব্রেডের সাথে স্প্যানিশ ওমলেট দিয়ে দিন! 😁


ম্যানেজার অবাক! 🤔


আসলেই কিছুক্ষণ আগে ঐ খুন্তি দিয়ে স্প্যানিশ ওমলেটই তৈরি করা হয়েছে! 😶


এইভাবে অন্ধ ব্যক্তিটি রোজ আসেন, আর হাতা বা খুন্তি শুঁকে তাঁর পছন্দের খাবার অর্ডার করেন। ঠিক ঠিক, যে যে রান্না সেদিন হয়েছে! 😜


ম্যানেজার ভাবলেন, দেখি একদিন অন্যরকম ভাবে পরীক্ষা করবো। 🤨


খুন্তিটি পরের দিন ভালো করে ধুয়ে মুছে কিচেনে গিয়ে ম্যানেজার তার বৌ সোনালীকে বললেন : তুমি খুন্তিটি ভালো করে তোমার ঠোঁটে ঘষে দাও। 💋


সোনালী তাই করে তার স্বামীর হাতে দিয়ে দিলেন! 😚


ম্যানেজার অন্ধ ব্যক্তিটিকে খুন্তিটি দিলেন। খুন্তিটি হাতে নিয়ে শুঁকে আনন্দে আত্মহারা হয়ে বললেন : ও মাই গড!!! 😲😲😲


!


!


!


এ তো সোনালী! আমার পুরনো প্রেমিকা! সে কি এই রেস্টুরেন্টে কাজ করে?


ম্যানেজার বেহুস!!!! 🥴🥴🥴

বরিশাল থেকে বন্ধু vs আমি

 বরিশাল থেকে বন্ধু  vs আমি


বন্ধু :  কি খবর দোস্ত

আমি: ভাল,  তের কি খবর?  

বন্ধু : ভাল! বেডা আমাদের এদিকে ঘুরতে আইলে তোর মন একছের ভইররা যাইতো।  তুই বেডা আইবি কইয়াও আইলিনা। মোগো বাড়ি বেডা পটুয়াখালী।  যা বরিশালের রাজধানী কইত্তারছ।  ,  মোগো বাড়ির উডান একছের বিশাল বড়।  আম, জাম কাঠাল,  লিচু, কমলা সবই আছে মোগে বাইত্তে।  বেডা কোয়াকাটার নাম হুনছো?  হেইয়াতো মোগো বরিশালেই।  তুই বেডা আইলিনা বন্ধু।  কি নাই মোগো বরিশালে। 


আমি: বন্ধু!  ঈদে ঘুরার মতো কোনো জায়গা পাচ্ছি না। তুই এত করেই যখন বলছিস।  তাহলে তদের বরিশালটাই একটু ঘুরে দেখা যাক,  কি বলিশ? কালই রওনা দেই তাহলে। 


বন্ধু : ঈদেতো বেডা একছের ব্যাস্ত সময় কাডে। তোরে সময় দিমু ক্যামনে? তুই বেডা ঈদের পরে একসময় আয়।  হাঙ্গা দিন রাইত তোরে লইয়া ঘুরমো বেডা।। মোগো বিলের পাশে একছের বড় একটা তরমুজ খেত করছি।  হেইয়াও একটু বড় হওক!  


লে আমি: 🥲🥲🥲🥲😏😏😏😏

যেখানে মূল্য পাবা সেখানেই থাকো

 এক ব‍্যক্তি তার ছেলেকে ডেকে বললেন, যাও, আমাদের পুরাতন গাড়িটা বিক্রি করে এসো!

ছেলে ফিরে এসে বলল, বাবা, গাড়ির দাম বলছে ৩০ হাজার টাকা!




বাবা বললেন, অন‍্য দোকানির কাছে যাও।

ছেলে ফিরে এসে বলল, বাবা উনি তো আরো কম বলছেন, ২০ হাজার।

বাবা বললেন, অন্য কোনো দোকান দেখো না! 


ছেলে এবার গেল একটা এন্টিকের দোকানে। দোকানি গাড়ি দেখে হতবাক। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়কার গাড়ি! তিনি গাড়ির দাম দিতে চাইলেন ৩০ লাখ টাকা!


বাবা সব শুনে বললেন, শোনো বাবা, জীবনে তোমাকে সবাই সমান দাম দেবে না! নিজের দাম বাড়াতে হলে তোমাকে সঠিক জায়গা খুঁজে বের করতে হবে। হয়তো এমন কাউকে পাবে যে তোমার আসল মূল্য বুঝবে! যে বুঝবে সেই তোমার প্রকৃত বন্ধু। আর বাকিরা হলো দরকারের সঙ্গী! দরকারের সঙ্গীসহ সবাইকেই সঙ্গ দিও, বিশ্বাস করো কেবল তাকে যে তোমার মূল্য বোঝে।

ও লিমুর বাপ খারাও কইলাম! চরন বিনোদন মূলক গল্প

 রোজ রাতেই আমি টের পাই আমার বড় মেয়ে রাতে পুনুর পুনুর করে ফোনে কথা বলে।আমি ওর রুমে গেলেই একেবারে চুপ হয়ে ঘুমের ভান ধরে ব্যাঙ্গের মতন পরে থাকে। আমি ওর মা আমিও এমন করে ওর বাপের সাথে প্রেম করতাম।তখন ফোন ছিলনা,রাতে চিঠি আদান প্রদান করতাম।আব্বারে দেখলে আমিও ব্যাং মরার মতন পরে থাকতাম।



ভাবলাম আমার কিছু একটা করতে হবে।আমার আব্বা কলেজ যাওয়া অফ করে দিছিল তাই আমি পালিয়ে এসেছিলাম।কিন্তু আমি ডিজিটাল মা,আমার এসব করা চলবেনা।


টেকনিক করে, মেয়ে যখন ওয়াশ রুমে গেল আর ওর ফোনখানা নিয়ে দেখি রিসিভ কল ভর্তি হয়ে আছে একটি নম্বর।আর তা জান নামে সেভ করা।সুন্দরভাবে ওই নম্বর টুকে নিলাম।


ব্যাস!রান্না ঘরে গিয়ে ওই নম্বরে মেসেজ দিলাম,জান আমি লিমু,এটা আমার নিউ নম্বর।আগের নম্বরে ভুলেও কল দিবানা।ওটা মায়ের কাছে।ওই নম্বর ব্লাক লিস্ট এ দেও।এখন থেকে মেসেজিং করবো। মা টের পেয়েছে সব।তাই কিছুদিন কথা বলা যাবেনা।


ওপাশ থেকে টুং করে ফিরতি মেসেজ,আচ্ছা জান।কি করছো সোনা?


মনে মনে ভাবি,তরে একবার হাতের নাগালে পাই সোনা পুড়ে তামা বানামু।


আমি মেসেজ দিলাম,কিছুনা জান।মন খারাপ।


এভাবেই আমাদের মেসেজিং চলতেই রইল,চলতেই রইল,৫দিনের মাথায় আমি ভোর রাতেও বারান্দায় গিয়ে মেসেজিং করি।আমার বর মহাশয় ইদানীং আমার দিকে কেমন সন্দেহর দৃষ্টিতে তাকায়।তাতে কিছুই আসে যায়না। আমার মেয়ের লাইফ আগে।আমি অনেকদিন মেসেজিং করলে আমার মেয়ে ওদিক থেকে ওই ছেলেকে ভুলে যাবে।


ইদানীং আমার মেয়েকেও মন মরা দেখি।নম্বর ব্লক লিস্ট এ দিয়েছে কিনা।


যাক, অবশেষে আমি ভাবলাম আমি সেই ছেলের সাথে দেখা করি।ওকে গিয়ে হুমকি ধামকি দিয়ে আসবো।তাহলেই সাকসেস।


সাজুগুজু করছি,মন বেশ ফুরফুরা লাগছে আজ সেই বেয়াদপ কে চরম ধোলাই দিব।


আমার বর মশাই পেপার পড়া বাদ দিয়ে আমায় আড়চোখে দেখছে আর জিজ্ঞেস করছে কি!কই যাও?


ওকে বললে ও বেপার টা নিয়ে হাইপার হবে।তাই বললাম বাজারে কিছু কেনার আছে


-এই বিকেলবেলা?


তো?মধু নাই বাসায়।তুমি তো জানো সকালে খালি পেটে আমি মধু খাই।ডায়েটে আছি তো।


বাসা থেকে নেমে পার্ক এ গিয়ে দাড়িয়ে আছি।

অল্প বয়সী কাউকেই দেখছিনা।কিন্তু আমার বরের চেয়েও বয়স্ক লোক আমার পাশে ঘুরঘুর করছে।


ফোনটা হাতে নিয়ে আবার মেসেজ দিলাম কই তুমি?


ওপাশ থেকে মেসেজ না দিয়েই কল দিল।আমি রিসিভ করে চুপ করে আছি।কি অদ্ভুত আমার পাশে দাড়ানো লোকটির কানেও ফোন আর আমার দিকে শকুনের মতন তাকিয়ে আছে।আমি কেটে দিয়ে আবার কল দিলাম,আমি আরো শিহরিত হলাম,ফোন বাজছে ওই লোকের হাতের টা ই।


রেগে গিয়ে বললাম,আপনি ই সেই মানুষ! ছিঃ মেয়ের বয়সী একজন এর সাথে প্রেম করতে লজ্জা লাগেনা।আবার তারে জান,সোনা ডাকেন!


লোকটি তীব্র দৃষ্টিতে আমার দিকে তাকিয়ে বলে,বেত্তমিস মহিলা,তিন কাল গিয়ে এক কালে ঠেকছে আর এখন বাচ্চার বয়সী ছেলেকে বিরক্ত করেন!


ঝগড়ার এক পর্যায় জানতে পারলাম,আমার মেয়ে এই লোকের ছেলের সাথে প্রেম করে।তিনি তার ছেলের ফোন নিয়ে গেছিল।আর আমি এতদিন তার ছেলে ভেবে তার সাথেই প্রেমালাপ করেছিলাম।


দুজন ই এক পর্যায় হাসতে হাসতে মরার উপক্রম হয়েছে।দুই ব্যর্থ গোয়েন্দাই এক পর্যায় কফি শপ এ বসলাম।নিজের কর্মকান্ডর জন্য স্যরিও বললাম।তিনিও বললেন।ভাবলাম বেয়াই হিসেবে ছেলের বাবা মন্দ না।হেসে হেসে বললাম ছেলের ফোনটা বাসায় গিয়ে ছেলেকে দিয়ে দিয়েন,আমার মেয়ে খুব ই মন মরা হয়ে আছে।


সে উঠে বললো,হুম আগে মেসেজিং গুলি মুছে নেই।এমন প্রেমালাপ দেখলে মামলা খেয়ে যাব হা হা হা।


আমি হেসে কুটিকুটি হয়ে কফির মগে চুমুর দিব তখন ই দেখছি আমার দিকে রাক্ষসের মতন তাকিয়ে আছে লিমুর বাবা।

এ কি তুমি এখানে?


-বাহ!আরজু বাহ!না আসলে তো এমন রঙ্গ দেখতেই পেতাম না


এই কি বলো?ভুল ভাবছো তুমি আমায়।


-ভুল!ছিঃ এত নিচ তুমি?এখন তো আমি তিতা হয়ে গেছি?আর এই বেটা মধু?তাই তো ভ্রমর মধু খেতে এসেছে।খাও মধু।

এই বলে লিমুর বাবা চলে গেল।


আমি পিছন পিছন ছুটছি।বেয়াই মশাই উঠে বললো,ঘাবড়াবেন না সোনা থুক্কা আপা।আমি আছি অলয়েজ পাশে।


রেগে বললাম, চুপ কর টাকলা ব্যাটা।মেয়ের প্রেম ভাংতে গিয়া আমার সংসার ই ভাঙার উপক্রম হইছে।


ও লিমুর আব্বা...খারাও..তুমি ভুল ভাবতেছো,দুনিয়ার সব মধুই ভেজাল,তুমি ই আসল।


ও লিমুর আব্বা খারাও কইলাম.....©

সংগৃহীত পোস্ট। 


১০০ টা শেয়ার হলে আরো মজার গল্প পোষ্ট করবো




বউ কি আসলেই কানে শুনেনা?? 🤣🤣🤣 চরম ফানি গল্প

 




স্বামী স্ত্রী দুজনেরই বয়স হয়েছে। স্বামীর স'ন্দে'হ হলো বউ হয়তো ঠিকমত কানে শুনতে পান না। ডাক্তারের কাছে গেলেন। ডাক্তার বললেন :🙂


-আপনি কি শিউর, যে আপনার স্ত্রী শুনতে পান না ?😐

-না, একদম যে শিউর, তা বলতে পারিনা।😒

-তাহলে একটি টেষ্ট করুননা !🙂

আপনি চল্লিশ ফিট দূরে দাঁড়িয়ে আপনার স্ত্রীকে কিছু বলুন। উনি যদি শুনতে না পান, আরও দশফিট এগিয়ে আসুন 🙂তারপরেও যদি শুনতে না পান, আরও দশফিট। কেমন  !

যে কথা সেই কাজ।😬😬

পরেরদিন সন্ধ্যেবেলায় স্ত্রী যখন রান্নাঘরে রান্না করছেন, স্বামী চল্লিশ ফিট দূরে দাঁড়িয়ে বললেন “আজকে রাতে কী রান্না করছো ?🙃🙃

কোন উত্তর নেই ।🙄

এবার স্বামী আর দশফিট এগিয়ে এলেন। বললেন :😐😐

“শুনছ, আজকে রাতে কী রান্না করবে ?”😑

আবারও কোন উত্তর নেই।😮‍💨

আরও কাছে এগিয়ে এলেন স্বামী। একই প্রশ্ন আবারও।

স্ত্রীর পক্ষ থেকে কোন সাড়া শব্দ নেই।

এবার দূরত্ব মাত্র দশফিট। স্বামী যেভাবে চেঁ'চি'য়ে বললেন তাতে পাড়ার সব মানুষ শুনতে পাবে। আবারও কোন উত্তর নেই ।😫😫

এবার রে'গে গিয়ে স্বামী বউয়ের ঘাড়ের কাছে এসে বললেন :😠😠

-তুমি কি কিছুই শোননা? আজকে রাতে কী রান্না হবে ?😡

এবার স্ত্রী বললেন :😣

-তোমাকে পাঁচ পাঁচবার বললাম

“মুরগী”🥱🥱

* ছাত্রের সুন্নতে খাৎনা*

 হাসতে হাসতে মুতে দিলে আমি দায়ি না..

* ছাত্রের সুন্নতে খাৎনা* 

ক্লাস টু তে পড়া একটা ছোট বাচ্চাকে পড়াইতাম

কয়েকদিন যেতে না যেতেই  ছেলের মা বললো

"বাবা রাফিকে সুন্নাতে খাৎনা করাবো পরশুদিন তুমি এখানে থেকো, তুমি পাশে থাকলে ও একটু সাহস পাবেয়" 

আমিও তাকে আদর করেই পড়াইতাম, কখনো মারতে হয়নি, তাই সে ও আমাকে বেশ পছন্দ করে, ভয় করেনা তেমন। 


কথামতই সে দিন গেলাম।  গিয়ে দেখে ডাক্তার এসে বসে আছে। আর  ছাত্র আমার একপাশ হয়ে মাকে ঝরিয়ে ধরে মুখ গুটিয়ে বসে আছে আর টিপটিপিয়ে কাঁদছে।  


আমি: কিরে রাফি কাদছো কেন? 

আন্টি: দেখোনা বাবা,  ও খুব ভয় পাচ্ছে ,  তুমি একটু বুজাও তাহলে হয়তো রাজি হবে!

রাফি: না না না আমি নুনু কাটবো নাাাাাাাা! 

আমি: (ওরে কুলে নিয়ে)  ওটাতে একটু কাটতে হবে,  আর কোনো ব্যাথা নাই, তুমি দেখো একটুও ব্যাথা পাবা না

রাফি: তাহলে আমি হিসু করবো কি করে?  

আমি: দূর বোকা! সবটা কাটবে নাকি? কাটবেতু ওপর থেকে অল্প একটু চামরা।  

রাফি: আপনার কাটছে?  

আমি: হুম (তাকিয়ে দেখি রাফির মা মিট মিট হাসছে)  

রাফি: কতটা

আমি : (একটুই) লজ্জাই  শেষ তাও বলতে হচ্ছে!  

রাফি: দেখি?  

আমি: (বাজ পরার মত হয়ে আছি) 

রাফি: কি হল?  

আমি: কিছুনা! আমি বড় হয়েছি না?  বড়রা এসব দেখাতে নেই এটা লজ্জা। 

রাফি: তাহলে আমি কাটবো না।  



রাফির মা: ওকে একটু দেখাওনা বাবা, তাও যদি একটু রাজি হয়। জোর করেওতো করানো যাচ্ছে না।  

আমি: আন্টি এটা কি করে হয়?

আন্টি : তুমিও ছেলে সেও ছেলে। এটুকু করলেই যদি হয় একটু দেখাই ফেলনা,  সে তো ভাবছে সবটা কেটে ফেলবে! 

আমি: এটা সম্ভব না।  

( রাফির সুন্দরী যুবতী খালাটাও পাশের রুম থেকে এসব দেখে হাসতেছে দেখে আমারতো পরান যায় যায় অবস্থা)  


* এর মাজে রাফির নানি এসে আমার হাত ধরে টেনে এক্সট্রা রুমের দিকে নিয়ে যাচ্ছে।  রাফিকেও রুমের ভিতরে দিয়ে বলতেছে " যা দেখাবে " 


আমার লজ্জাবোধ আর অজানা এক  ভয়ে বুক কাপতেছে


রাফি: কই সার?  দেখান

আমি: চুপ থাক!  

রাফি : দেখাবেন না?  তাহলে আমি চলে যাই।   " মাাা দর্জা খু**

আমি: মুখ চেপে ধরলাম।   আশেপাশে তাকিয়ে বুজতে পারলাম এই রুমের কাজ পূরুপূরি শেষ হয়নি। জানালা লাগানো নাই।  জানালাই একটা পূরাতন টিন দিয়ে আটকানো


এই সুযোগ মিস না করে তারাতারি জানালা থেকে টিন সরিয়ে লাফ দিলাম।  

ও মা গো তারকাটা ফুটেছে মনেহয়।  তাও দৌরাচ্ছি,  ইজ্জত নিয়া বাচা লাগবে


  লেখক: মোঃ সোহাগ মিয়া https://www.facebook.com/shohagahmed.hridoy.5