* ছাত্রের সুন্নতে খাৎনা*
হাসতে হাসতে মুতে দিলে আমি দায়ি না..
* ছাত্রের সুন্নতে খাৎনা*
ক্লাস টু তে পড়া একটা ছোট বাচ্চাকে পড়াইতাম
কয়েকদিন যেতে না যেতেই ছেলের মা বললো
"বাবা রাফিকে সুন্নাতে খাৎনা করাবো পরশুদিন তুমি এখানে থেকো, তুমি পাশে থাকলে ও একটু সাহস পাবেয়"
আমিও তাকে আদর করেই পড়াইতাম, কখনো মারতে হয়নি, তাই সে ও আমাকে বেশ পছন্দ করে, ভয় করেনা তেমন।
কথামতই সে দিন গেলাম। গিয়ে দেখে ডাক্তার এসে বসে আছে। আর ছাত্র আমার একপাশ হয়ে মাকে ঝরিয়ে ধরে মুখ গুটিয়ে বসে আছে আর টিপটিপিয়ে কাঁদছে।
আমি: কিরে রাফি কাদছো কেন?
আন্টি: দেখোনা বাবা, ও খুব ভয় পাচ্ছে , তুমি একটু বুজাও তাহলে হয়তো রাজি হবে!
রাফি: না না না আমি নুনু কাটবো নাাাাাাাা!
আমি: (ওরে কুলে নিয়ে) ওটাতে একটু কাটতে হবে, আর কোনো ব্যাথা নাই, তুমি দেখো একটুও ব্যাথা পাবা না
রাফি: তাহলে আমি হিসু করবো কি করে?
আমি: দূর বোকা! সবটা কাটবে নাকি? কাটবেতু ওপর থেকে অল্প একটু চামরা।
রাফি: আপনার কাটছে?
আমি: হুম (তাকিয়ে দেখি রাফির মা মিট মিট হাসছে)
রাফি: কতটা
আমি : (একটুই) লজ্জাই শেষ তাও বলতে হচ্ছে!
রাফি: দেখি?
আমি: (বাজ পরার মত হয়ে আছি)
রাফি: কি হল?
আমি: কিছুনা! আমি বড় হয়েছি না? বড়রা এসব দেখাতে নেই এটা লজ্জা।
রাফি: তাহলে আমি কাটবো না।
রাফির মা: ওকে একটু দেখাওনা বাবা, তাও যদি একটু রাজি হয়। জোর করেওতো করানো যাচ্ছে না।
আমি: আন্টি এটা কি করে হয়?
আন্টি : তুমিও ছেলে সেও ছেলে। এটুকু করলেই যদি হয় একটু দেখাই ফেলনা, সে তো ভাবছে সবটা কেটে ফেলবে!
আমি: এটা সম্ভব না।
( রাফির সুন্দরী যুবতী খালাটাও পাশের রুম থেকে এসব দেখে হাসতেছে দেখে আমারতো পরান যায় যায় অবস্থা)
* এর মাজে রাফির নানি এসে আমার হাত ধরে টেনে এক্সট্রা রুমের দিকে নিয়ে যাচ্ছে। রাফিকেও রুমের ভিতরে দিয়ে বলতেছে " যা দেখাবে "
আমার লজ্জাবোধ আর অজানা এক ভয়ে বুক কাপতেছে
রাফি: কই সার? দেখান
আমি: চুপ থাক!
রাফি : দেখাবেন না? তাহলে আমি চলে যাই। " মাাা দর্জা খু**
আমি: মুখ চেপে ধরলাম। আশেপাশে তাকিয়ে বুজতে পারলাম এই রুমের কাজ পূরুপূরি শেষ হয়নি। জানালা লাগানো নাই। জানালাই একটা পূরাতন টিন দিয়ে আটকানো
এই সুযোগ মিস না করে তারাতারি জানালা থেকে টিন সরিয়ে লাফ দিলাম।
ও মা গো তারকাটা ফুটেছে মনেহয়। তাও দৌরাচ্ছি, ইজ্জত নিয়া বাচা লাগবে
লেখক: মোঃ সোহাগ মিয়া https://www.facebook.com/shohagahmed.hridoy.5
